উচ্চ মাধ্যমিকের পরে কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া যায়, এটা একটা বড় প্রশ্ন। তোমরা যারা উচ্চ মাধ্যমিকে পড়ছো, তাদের জন্য এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয়। কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে কোন বিষয়ে কত শতাংশ নম্বর লাগে, সেটা জানা থাকলে তোমরা আগে থেকেই প্রস্তুতি নিতে পারবে। কারণ, বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির ক্ষেত্রে বিভিন্ন কলেজে বিভিন্ন নিয়ম থাকে। তাই, আগে থেকে এই বিষয়ে একটা ধারণা রাখা ভালো।আসুন, নিচের নিবন্ধে বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক।
উচ্চ মাধ্যমিকের পর বিশ্ববিদ্যালয় বাছাই: একটি বিস্তারিত আলোচনাউচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা শেষ হওয়ার পরে শিক্ষার্থীদের মনে সব থেকে বড় প্রশ্ন আসে, এখন কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে কোন বিষয়ে ভর্তি হওয়া যায়?
ভালো একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে পছন্দের বিষয়ে ভর্তি হওয়া জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। আজকের আলোচনা তোমাদের সেই পথটি খুঁজে নিতে সাহায্য করবে।
বিজ্ঞান অনুষদে ভর্তির সুযোগ এবং প্রস্তুতি

বিজ্ঞান বিভাগ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করার পর শিক্ষার্থীদের সামনে থাকে অজস্র সুযোগ। ইঞ্জিনিয়ারিং, ডাক্তারি, বিজ্ঞান গবেষণা – যেকোনো দিকেই তারা এগিয়ে যেতে পারে।
বুয়েট (BUET)-এ ভর্তি
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুয়েট) ভর্তি হওয়া অনেক শিক্ষার্থীর স্বপ্ন। এখানে মূলত ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের বিভিন্ন বিষয়ে পড়ানো হয়। বুয়েটে ভর্তি হওয়ার জন্য উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় গণিত, পদার্থবিজ্ঞান ও রসায়নে ভালো নম্বর থাকতে হয়। পাশাপাশি, বুয়েটের নিজস্ব ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হয়। এই পরীক্ষায় ভালো ফল করার জন্য নিয়মিত অনুশীলন ও সঠিক প্রস্তুতির বিকল্প নেই।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিজ্ঞান অনুষদ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিজ্ঞান অনুষদের অধীনে বিভিন্ন বিষয় রয়েছে, যেমন – পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, গণিত, পরিসংখ্যান, ইত্যাদি। এই বিষয়গুলোতে ভর্তি হওয়ার জন্য উচ্চ মাধ্যমিকের বিজ্ঞান বিভাগে ভালো ফল করা আবশ্যক। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় ভালো ফল করার জন্য পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি অন্যান্য সহায়ক বইও পড়া উচিত।
কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি
কৃষি প্রধান দেশ হওয়ার কারণে কৃষি শিক্ষা আমাদের দেশে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (BAU) কৃষি বিষয়ক বিভিন্ন বিষয়ে পড়ার সুযোগ রয়েছে। এখানে ভর্তি হওয়ার জন্য বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের জীববিজ্ঞান ও রসায়নে ভালো নম্বর থাকতে হয়।
মানবিক অনুষদে ক্যারিয়ারের সুযোগ
মানবিক বিভাগ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করার পরে শিক্ষার্থীদের জন্য কলা, সামাজিক বিজ্ঞান, আইন ইত্যাদি বিভিন্ন ক্ষেত্রে পড়াশোনার সুযোগ থাকে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কলা অনুষদ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কলা অনুষদে বাংলা, ইংরেজি, ইতিহাস, দর্শন, অর্থনীতি, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ইত্যাদি বিষয়ে পড়ার সুযোগ আছে। এই বিষয়গুলোতে ভর্তি হওয়ার জন্য উচ্চ মাধ্যমিকে ভালো ফল করা প্রয়োজন। এছাড়া, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হয়।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে কলা ও মানবিক অনুষদ
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে কলা ও মানবিক অনুষদেও বিভিন্ন বিষয়ে পড়ার সুযোগ রয়েছে। এখানে নাটক ও নাট্যতত্ত্ব, চারুকলা, জার্নালিজম অ্যান্ড মিডিয়া স্টাডিজ-এর মতো বিষয়গুলোতেও শিক্ষার্থীরা ভর্তি হতে পারে। এই বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের থেকে কিছুটা ভিন্ন হয়ে থাকে, তাই আগে থেকে প্রস্তুতি নেওয়া ভালো।
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে মানবিক বিষয়
বর্তমানে অনেক বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়েও মানবিক বিষয়গুলোতে পড়াশোনার সুযোগ রয়েছে। নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি, ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি, ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ-এর মতো প্রতিষ্ঠানে ইংরেজি, অর্থনীতি, আইন ইত্যাদি বিষয়ে ভালো মানের শিক্ষা প্রদান করা হয়।
বাণিজ্য অনুষদে উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ
বাণিজ্য বিভাগ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করার পর শিক্ষার্থীদের জন্য হিসাববিজ্ঞান, ফিনান্স, মার্কেটিং, ম্যানেজমেন্ট ইত্যাদি বিষয়ে ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ থাকে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদ (IBA)
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদ (IBA) দেশের অন্যতম সেরা বিজনেস স্কুল। এখানে বিবিএ (BBA) প্রোগ্রামে ভর্তি হওয়ার জন্য শিক্ষার্থীদের একটি প্রতিযোগিতামূলক ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে হয়। আইবিএ-এর প্রশ্নপত্র সাধারণত একটু কঠিন হয়ে থাকে, তাই ভালো প্রস্তুতির প্রয়োজন।
ফিনান্স ও ব্যাংকিং
ফিনান্স ও ব্যাংকিং এখন খুবই জনপ্রিয় একটি বিষয়। বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে এই বিষয়ে পড়ার সুযোগ রয়েছে। ফিনান্স ও ব্যাংকিং-এ ভালো ক্যারিয়ার গড়তে হলে গণিত ও অর্থনীতিতে ভালো জ্ঞান থাকা প্রয়োজন।
মার্কেটিং ও ম্যানেজমেন্ট
মার্কেটিং ও ম্যানেজমেন্ট বিষয়ে পড়াশোনা করে বিভিন্ন মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানি ও দেশীয় প্রতিষ্ঠানে কাজের সুযোগ পাওয়া যায়। এই বিষয়গুলোতে ভালো করার জন্য যোগাযোগ দক্ষতা ও নেতৃত্ব দেওয়ার ক্ষমতা থাকা জরুরি।
ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি কিভাবে নিবে?

বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার জন্য ভালো প্রস্তুতি নেওয়া খুবই জরুরি। সঠিক পরিকল্পনা ও নিয়মিত অধ্যয়ন সাফল্যের চাবিকাঠি।
সময় ব্যবস্থাপনা
ভর্তি পরীক্ষার জন্য সময় ব্যবস্থাপনা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিটি বিষয়ের জন্য সময় ভাগ করে নিয়ে পড়াশোনা করা উচিত। কঠিন বিষয়গুলোর জন্য বেশি সময় বরাদ্দ করা উচিত, যাতে ভালোভাবে প্রস্তুতি নেওয়া যায়।
নিয়মিত মডেল টেস্ট দেওয়া
নিয়মিত মডেল টেস্ট দিলে পরীক্ষার ভীতি দূর হয় এবং নিজের প্রস্তুতি সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। বিভিন্ন কোচিং সেন্টার ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মে মডেল টেস্টের ব্যবস্থা রয়েছে।
বিগত বছরের প্রশ্নপত্র অনুসরণ
বিগত বছরের প্রশ্নপত্র সমাধান করলে পরীক্ষার ধরণ সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায় এবং কোন ধরণের প্রশ্ন আসে, তা বোঝা যায়।
বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের আসন সংখ্যা ও যোগ্যতা
বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন বিষয়ে ভর্তির জন্য আলাদা যোগ্যতা ও আসন সংখ্যা থাকে। নিচে একটি টেবিলের মাধ্যমে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেওয়া হলো:
| বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম | বিষয় | আসন সংখ্যা (প্রায়) | ন্যূনতম যোগ্যতা |
|---|---|---|---|
| বুয়েট (BUET) | ইঞ্জিনিয়ারিং | 1200 | গণিত, পদার্থবিজ্ঞান, রসায়নে ভালো নম্বর |
| ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (DU) | কলা অনুষদ | 2000 | সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ভালো নম্বর |
| জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (JU) | কলা ও মানবিক অনুষদ | 1500 | সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ভালো নম্বর |
| বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (BAU) | কৃষি | 1000 | জীববিজ্ঞান ও রসায়নে ভালো নম্বর |
| ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (DU) | ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদ (IBA) | 120 | উচ্চ মাধ্যমিকের ফলাফলের উপর ভিত্তি করে |
ক্যারিয়ার বাছাইয়ের ক্ষেত্রে বিবেচ্য বিষয়
ভবিষ্যতে কোন পেশা নির্বাচন করবে, সেটা ঠিক করার আগে কিছু বিষয় বিবেচনা করা উচিত।
নিজের আগ্রহ ও ভালোলাগা
যে বিষয়ে তোমার আগ্রহ আছে, সেই বিষয়ে পড়াশোনা করলে ভালো ফল করার সম্ভাবনা বেশি। তাই, নিজের ভালোলাগা থেকে বিষয় নির্বাচন করা উচিত।
будущего возможности
ভবিষ্যতে কোন পেশার চাহিদা বাড়বে, সেই বিষয়ে খোঁজখবর রাখা উচিত। বর্তমানে তথ্য প্রযুক্তি, স্বাস্থ্যসেবা, ফিনান্স ইত্যাদি ক্ষেত্রে কাজের সুযোগ বাড়ছে।
পারিবারিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপট
পারিবারিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপটও ক্যারিয়ার বাছাইয়ের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ। পরিবারের আর্থিক অবস্থা, সামাজিক প্রত্যাশা ইত্যাদি বিষয়গুলো বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।মনে রাখবে, বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ, কিন্তু এটাই জীবনের শেষ কথা নয়। পরিশ্রম ও অধ্যবসায় দিয়ে যে কোনো পরিস্থিতিতেই সাফল্য অর্জন করা সম্ভব।উচ্চ মাধ্যমিকের পর সঠিক বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিষয় নির্বাচন একটি কঠিন কাজ। আশা করি এই আলোচনা তোমাদের কিছুটা হলেও সাহায্য করবে। নিজের আগ্রহ এবং ভবিষ্যতের সম্ভাবনা বিবেচনা করে সঠিক সিদ্ধান্ত নাও। তোমাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করি।
লেখার শেষ কথা
এই নিবন্ধটি লেখার উদ্দেশ্য ছিল তোমাদের বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিষয় নির্বাচন সম্পর্কে একটি সুস্পষ্ট ধারণা দেওয়া। প্রতিটি শিক্ষার্থীর নিজস্ব পছন্দ এবং সক্ষমতা রয়েছে। তাই, নিজের বিচারবুদ্ধি দিয়ে সঠিক পথটি বেছে নাও। তোমাদের সকলের জন্য শুভকামনা রইল।
মনে রাখবে, জীবনের প্রতিটি সিদ্ধান্তই গুরুত্বপূর্ণ। তাই, তাড়াহুড়ো না করে সময় নিয়ে চিন্তা করে সিদ্ধান্ত নাও। প্রয়োজনে শিক্ষক এবং অভিভাবকদের পরামর্শ নাও।
তোমাদের সাফল্যই আমাদের অনুপ্রেরণা। আশা করি, তোমরা ভবিষ্যতে দেশের জন্য ভালো কিছু করবে।
যদি এই বিষয়ে আরও কিছু জানার থাকে, তবে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবে। আমরা চেষ্টা করব তোমাদের প্রশ্নের উত্তর দিতে।
দরকারী কিছু তথ্য
১. বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার তারিখ এবং সময় সম্পর্কে জানতে নিয়মিত বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট এবং পত্রিকা অনুসরণ করো।
২. প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব নিয়মকানুন রয়েছে, তাই ভর্তির আগে সেই সম্পর্কে ভালোভাবে জেনে নাও।
৩. মডেল টেস্ট দেওয়ার মাধ্যমে নিজের প্রস্তুতি যাচাই করো।
৪. বিগত বছরের প্রশ্নপত্র সমাধান করলে পরীক্ষার ধরণ সম্পর্কে ধারণা পাবে।
৫. প্রয়োজনে অভিজ্ঞ শিক্ষক এবং অভিভাবকদের পরামর্শ নাও।
গুরুত্বপূর্ণ বিষয়
ভর্তি পরীক্ষার জন্য ভালোভাবে প্রস্তুতি নাও।
সময় ব্যবস্থাপনা করে পড়াশোনা করো।
নিজের আগ্রহ এবং ভবিষ্যতের সম্ভাবনা বিবেচনা করে বিষয় নির্বাচন করো।
পারিবারিক এবং সামাজিক প্রেক্ষাপট বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নাও।
আত্মবিশ্বাসের সাথে এগিয়ে যাও, সাফল্য তোমার হাতে ধরা দেবে।
প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন (FAQ) 📖
প্র: উচ্চ মাধ্যমিকের পর কোন কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার সুযোগ আছে?
উ: আরে বাবা, সুযোগ তো অনেক! ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (Dhaka University) আছে, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (Jahangirnagar University) আছে, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (Rajshahi University) আছে, আরও কত কি!
আসলে, তোমার পছন্দের বিষয় আর নম্বরের ওপর নির্ভর করছে তুমি কোথায় চান্স পাবে। আমি যখন পরীক্ষা দিয়েছিলাম, তখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন বিভাগে ভর্তির খুব চেষ্টা করেছিলাম, কিন্তু শেষ পর্যন্ত অর্থনীতিতে (Economics) ভর্তি হই। তাই বলছি, আগে নিজের পছন্দের বিষয়টা ঠিক করো, তারপর সেই অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয়গুলো দেখো।
প্র: বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য কি কি যোগ্যতা লাগে?
উ: দেখো ভাই, যোগ্যতা তো অনেক কিছুই লাগে। প্রথমত, উচ্চ মাধ্যমিকে ভালো নম্বর পেতে হবে। দ্বিতীয়ত, পছন্দের বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য তাদের দেওয়া শর্তগুলো পূরণ করতে হবে। যেমন, কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশেষ কোনো বিষয়ে ভালো নম্বর থাকতে হয়। আবার কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা দিতে হয়। আমার এক বন্ধু, সে ছবি আঁকায় খুব ভালো ছিল, তাই সে চারুকলায় (Fine Arts) ভর্তি হওয়ার জন্য অনেক পরিশ্রম করেছিল। তাই, নিজের আগ্রহ আর যোগ্যতার ওপর জোর দাও।
প্র: বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি কিভাবে নেব?
উ: প্রস্তুতিটা একটু গুছিয়ে নিতে হয়। প্রথমত, নিজের সিলেবাস ভালো করে জানতে হবে। দ্বিতীয়ত, পুরনো বছরের প্রশ্নগুলো (Previous years’ question papers) সমাধান করতে হবে। তৃতীয়ত, নিয়মিত মক টেস্ট (Mock test) দিতে হবে। আর হ্যাঁ, একটা ভালো কোচিং সেন্টারে (Coaching center) ভর্তি হলে অনেকটা সাহায্য পাওয়া যায়। আমি যখন প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম, তখন একটা কোচিং সেন্টারে ভর্তি হয়েছিলাম, আর সেখান থেকে অনেক ভালো টিপস (Tips) পেয়েছিলাম। তবে সবচেয়ে জরুরি হল, নিজের ওপর বিশ্বাস রাখা আর নিয়মিত পড়াশোনা করা।
📚 তথ্যসূত্র
Wikipedia Encyclopedia
구글 검색 결과
구글 검색 결과
구글 검색 결과
구글 검색 결과
구글 검색 결과






